বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন এ তালিকাভুক্ত আইডি নং – ৪২৯ ............................ দেশ ও জাতীর কল্যাণে সংবাদ ও সাংবাদিকতা!! আপনি কি সাংবাদিক হয়ে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করতে চান তা হলে যোগাযোগ করুন ০১৭২৬৩০৪০৯২
প্রচ্ছদ

মেলান্দহে বিশেষ কায়দায় বিদ্যুৎ উদ্ভাবন করেছে রাসেল ইকবাল

 নিউজ  ডেস্ক: জামালপুরে মেলান্দহে রাসেল ইকবাল নামে এক যুবক বিশেষ কায়দায় লোড শেডিং মুক্ত পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উদ্ভাবন করে চমক সৃষ্টি করেছেন । রাসেলের উদ্ভাবন দেখার জন্য শত শত লোক তার বাড়ীতে ভীড় জমাচ্ছে।

রাসেল ইকবাল জামালপুরে মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের রেখির পাড়া গ্রামের মৃত আলহাজ্ব আফসার আলীর ছোট ছেলে। সেই দীর্ঘ ৭বছর গবেষণা পর অবশেষে তার নিজ গৃহের বারিন্দায় বিশেষ কায়দায় ৪টি ব্যাটারী,ডিসি মটর,এসি মটর, দুইটি রাডার লাগানোসহ বিভিন্ন ভাবে ঘূর্ণমান চাকার মাধ্যমে ৫০০ বোল্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,তার এ উদ্ভাবনীতে জেনারেটরের বিকল্প ৬০ভোল্টেজের ব্যাটারীর সাহায্যে শুধু সুইচ অন-অফ’র কাজ করছে। ব্যাটারী অটোচার্জ হয়ে চাকা ঘুরলেই উৎপাদিত বিদ্যুত সাপ্লাই হচ্ছে। এ বিদ্যুতের মাধ্যমে বাড়িতে ৬টি ফ্যান,১০টি বাতি,একটি কালার টিভি ও ফ্রিজ চলছে। এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে ৭০হাজার টাকা মতো খরচ হয়েছে তার। এ বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পের নাম দিয়েছেন “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বিদ্যুৎ”।
এ ব্যাপারে মিনি বিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্ভাবক ক্ষুদে বিজ্ঞানী রাসেল ইকবাল সিজে নিউজ বিডি.কম কে জানান,সাইকেল মেকানিকের দোকান থেকে বলপেনের নিপ কেটে মটর তৈরী করে তাঁর নিজের ব্যবহারিক সাইকেলের চাকায় ফিটিং করেন। তা থেকে ঘর্ষণে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়ে রং-বে রংয়ের সিগন্যাল লাইট জ্বলতে থাকে।

এছাড়াও শ্যালো ইঞ্জিনে ড্রেজারে বাড়ির ভিটার মাটি কাটতে হঠাৎ পাইপের পানি চাপে মেশিন উল্টো ঘুরতে থাকলে এরপর রাসেল বিদ্যুৎ উদ্ভাবনের চিন্তা করেন। পরে বছরে বছরের পর গবেষণার পর প্রথম লাইট জ্বালাতে সক্ষম হন তিনি। এর পর তিনি আর গবেষণা না থামিয়ে অবশেষে এ বিদ্যুৎ উদ্ভাবন করেন। তার এ উদ্ভাবিত বিদ্যুৎ পরিবেশ বান্ধব,এটি উৎপাদন করতে কোন গ্যাস বা তেল বা জ্বালানী প্রয়োজন হয়না।

ক্ষুদে বিজ্ঞানী রাসেলের অভিমত,বড় আকারে তার এ প্রজেক্টে বানিজ্যিক ভাবে স্বল্প খরচে একটি জেলাতে স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো যাবে। তবে খরচের টাকা গ্রাহকের দুই/তিন মাসের বিদুৎ বিলেই উঠে যাবে। এর পর আর উৎপাদন খরচ হবে না। তার এ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রজেক্ট পরিচালিত করতে বেশি লোকবল প্রয়োজন হবে না। দুই এক জনই যথেষ্ট।

তিনি আরো জানান,সরকার যদি তার উদ্ভাবিত বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে ভাবে, তাহলে দেশের শহর,গ্রামগঞ্জের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে কাজ করবে তার এ প্রকল্প। এছাড়া দূর্গম অঞ্চলে যেখানে সাধারণ বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব্য না;সেখানে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে আলোকিত হবে গ্রামের পর গ্রাম।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*