বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন এ তালিকাভুক্ত আইডি নং – ৪২৯ ............................ দেশ ও জাতীর কল্যাণে সংবাদ ও সাংবাদিকতা!! আপনি কি সাংবাদিক হয়ে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করতে চান তা হলে যোগাযোগ করুন ০১৭২৬৩০৪০৯২
প্রচ্ছদ

ইসলামপুরে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালু উত্তোলন

ইয়ামিন মিয়া,ডেস্ক নিউজঃপ্রশাসন আমাদের পকেটে আপনারা লিখে যা করার করেন গিয়ে,বেশী কথা বললে কোদাল দিয়ে এখনি কুপ দিয়ে নদীতে ফেলে দিবো”। কথাগুলো এভাবেই এক নিশ্বাসেই বলছিল বালুসিন্ডিকেটের সদস্য রফিক মিয়া।

ইসলামপুর উপজেলার উত্তর শশারিয়াবাড়ি গ্রামের সদ্য নির্মিত যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধের নিকটস্থ থেকে বালু উত্তোলন করছে দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর এমন অভিযোগে শনিবার বিকালে সেখানে এ প্রতিবেদক গেলে বালু উত্তোলনের ছবি ক্যামেরায় ধারণ করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,“এমপি (স্থানীয় সাংসদ) আমাদের লোক,এমপি’র নির্দেশে বালু তুলছি,আপনার মতো কত সাংবাদিক আর ইউএনও আইল আর গেল। কিছুই করতে পারেনি আর তো আপনি”।

ঘটনার স্থল থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আপনি নিউজ করেন আমি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যেমে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিব।

জানা যায়,উপজেলার পার্থশী ইউনিয়নের শশারিয়াবাড়ি খাঁ পাড়ার এলাকার করিম কাজী’র ছেলে শাহিন,১নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি মেম্বার তাহেরের ছেলে লিটন, মৃত মুজামের ছেলে রফিকসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০জনের বালু সিন্ডিকেটরা যমুনা থেকে ভলগেট দিয়ে বালু উত্তোলন করে ৪৫০ কোটি টাকার ব্যায়ে সদ্য নির্মিত যমুনার বাম তীর সংরক্ষণ বাঁধের উপরে বালু মজুদ করে বিক্রি করছেন তারা।এতে বাঁধ দেবে যাওয়ার চরম আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

এছাড়াও প্রতিদিন ৩ থেকে ৪’শ বালুভর্তি ট্রাক্টর চলাচলের কারণে এলাকার রাস্তা সাধারণ মানুষের যাতায়াতে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে এলাকার পরিবেশেরেও বারোটা বাজিয়েছে।

শশারিয়াবাড়ি এলাকার যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মির্জা কাইয়ুম বলেন,যমুনা আমাদের সব খেয়েছে।এখন বাঁধের উপরে মাথা গুজার ঠাঁই টুকুও নদী গর্ভে বিলীন হবে বালু উত্তোলনের ফলে।

তিনি আরো বলেন,বাঁধ ভাঙ্গলে ওদের (স্থানীয় নেতা কর্মী) লাভ,আমাদের কপালে হাত,ভাঙ্গার স্থানে অর্ধেক টাকাদিয়ে বালির বস্তা ফেলবে আর অর্ধেক পকেটে তুলবে।

যমুনা পাড়ের একাধিক ব্যাক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,ঠিক মতো ঘুমাইতে পারিনা ট্রাক্টর আর ভলগেটের বিকট আওয়াজে। বালু দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমার কিছু বলেতে সাহস পাচ্ছি না।এরা খুব শক্তি শালী।

এ ব্যাপারে বালু সিন্ডিকেটের নেতা শাহিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন,আমি আপনার সাথে পরে দেখা করছি বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি ফরিদুল হক দুলাল বলেন,“আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। প্রশাসন কে বলা আছে সে যেই হোক না কেন বালু উত্তোলন কারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য”।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*